এজেন্ট টাকা নিয়ে পয়েন্ট দিচ্ছেন না? উইথড্র আটকে রেখেছেন? সাড়াই দিচ্ছেন না? লিস্টভুক্ত এজেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের একটা নির্দিষ্ট, কার্যকর প্রক্রিয়া আছে — ঠিকভাবে করলে বেশিরভাগ অভিযোগেরই সমাধান হয়।
ধাপ ১: প্রমাণ গোছান (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
অভিযোগের শক্তি প্রমাণে। লাগবে: এজেন্টের আইডি, লেনদেনের TrxID, বিকাশ/নগদের স্ক্রিনশট, WhatsApp চ্যাটের স্ক্রিনশট, আর ঘটনার সময়-তারিখ। যত গোছানো প্রমাণ, তত দ্রুত সমাধান — "টাকা মেরে দিছে" লিখে পাঠালে তদন্ত করারই উপায় থাকে না।
ধাপ ২: সঠিক স্তরে অভিযোগ পাঠান
এজেন্টের প্রোফাইলে থাকা অভিযোগ (COMPLAIN) বাটনে ক্লিক করুন — সরাসরি তার আপলাইনের WhatsApp খুলবে, এজেন্টের আইডিসহ। মাস্টারের অভিযোগ সুপারের কাছে, সুপারের অভিযোগ সাব-এডমিনের কাছে যায়। ভুল স্তরে পাঠালে সময় নষ্ট হয়।
ধাপ ৩: অপেক্ষা ও ফলো-আপ
তদন্তে সাধারণত কিছুটা সময় লাগে — আপলাইন দুই পক্ষের বক্তব্য ও লেনদেন-রেকর্ড মেলান। ২৪-৪৮ ঘণ্টায় অগ্রগতি না দেখলে একই প্রমাণসহ কাস্টমার সার্ভিসে ফলো-আপ করুন।
প্রমাণিত হলে কী হয়
প্রমাণিত অভিযোগে এজেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয় — সতর্কতা থেকে শুরু করে তালিকা থেকে স্থায়ী অপসারণ পর্যন্ত। তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ হয় বলে অভিযুক্ত এজেন্ট বেশিদিন লিস্টে টেকে না — এ কারণেই প্রতিবার লেনদেনের আগে সর্বশেষ লিস্ট দেখা জরুরি।